তুমি ক্লান্ত,
তুমি আসবে না ,
তোমার কিছু যায় আসে না,
তুমি ধৈর্য্য ধরেছো,
তুমি অপেক্ষা করেছো,
তোমার নির্ঘুম শতরাত!
এসবের মাঝে তুমি, তুমি এবং শুধুই তুমিই
আচ্ছা, কখনো ভেবেছো এসব আমারও হয়?
কখনো ভেবেছো
দীর্ঘ অপেক্ষা কিংবা কষ্ট
কোনো টা তোমার থেকে আমার কম ছিল না!
গল্প কেবল একপাক্ষিক বললে ,গল্পে একটা পূর্ণতা টেনে দেওয়ায় যায় ,
কিন্তু গল্প অপর পক্ষেরটা না জেনে গল্পের ইতি টানা বা বিবেচনা করা কতটুকু যৌক্তিক?
প্রশ্ন রইল।
মনে আছে, একবার মেসেজে লিখেছিলে-
“সব হারাইয়া নিরাশ মনে
কাঁদবো বসে গাছতলায়!”
কিন্ত, তা আমার সাথে কেন ঘটলো?
চলো আজ একটা অংক কষি-
তোমার ভাষ্যমতে , ধরেই নিলাম
তুমি কষ্ট পেয়েছো কিন্ত ভেঙে চুরমার হওনি
বরং, নিজেকে ঠিক করেছো,
গুছিয়ে নিয়েছো বেশ!
তাহলে বলা যেতেই পারে তুমি শূন্যের খাতায় আর অবস্থান করো না।
আমাকে দেখো!
কষ্ট আমিও পেয়েছি,
প্রতিনিয়ত পাচ্ছি ,
ভেঙেছি বারবার ,
তাহলে কী বলা যেতে পারে না, আমি শূন্য থেকেও নিচে অবস্থান করছি?
ফিরে আসবো না আমি, খোঁজ নেব না তোমার,
কথা দিলাম।
বিনিময়ে তোমার ক্ষমা না পেলেও চলবে।
নির্ঘুম শতরাত আজ আমারও সাক্ষী,
প্রতিটা যন্ত্রণায়ও তোমাকে আমি ঘৃণা নয় বরং খুব যতনে ভালোবেসেছি।
ক্ষমা আমিও তোমায় করেছি তবে “তোমাকে ভালোবাসি” কেবল এই একটি শর্তে।
